1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন ফরিদপুরে বিএনপি নেতার উদ্যোগে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিললো ১৪ বছর পর রায় : ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদন্ড মাদক খুঁজতে গিয়ে অস্ত্রের সন্ধান পেলো র‌্যাব, পাঁচ আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক পাঁচ মধুখালীতে বাথরুমে স্ল্যাবের নিচে বস্তাবন্দি নারীর কঙ্কাল উদ্ধার ফরিদপুরের ভূমি কর্মকর্তার গুনে গুনে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল সনাতনীরা এদেশে মাথা উচু করে চলাফেরা করবে -উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি ফরিদপুরে ১২ দলীয় ফুটবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি নিহত ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যাকারীদের গ্রফতার ও  বিচার দাবি

মাঘের বৃষ্টি ফরিদপুরের চাষিদের আশীর্বাদ হয়ে এসেছে

  • Update Time : রবিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৯৪৬ জন পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :
মাঘের বৃষ্টি ফরিদপুরের চাষিদের কাছে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। শীতের শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ক্ষেতের মাটির আদ্রতা কমে গেয়েছিলো। মাটির আদ্রতা কমে যাওয়ার ফলে পেঁয়াজ বীজ, হালি পেঁয়াজ, গম, মুশুড়, কালোজিরা, ধনিয়াসহ বিভিন্ন ফসলের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়ে উঠেছিলো। ফসল উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কায় চাষিদের চোখ মুখে চিন্তার ভাজ পড়েছিলো। ঠিক তখনই অসময়ের বৃষ্টি চাষিদের আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। অসয়ের বৃষ্টির কারণে ক্ষেতে আদ্রতা ফিরে এসেছে। ফলে চাষিদের আর বাড়তি টাকা খরচ করে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হবেনা। অন্যদিকে ক্ষেতের ফসলও নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।
অসময়ের বৃষ্টি প্রসঙ্গে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনকারী নারী উদ্যোক্তা শাহীদা বেগম বলেন, এই বৃষ্টি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। ক্ষেতের জো কমে গিয়ে ছিলো। জো কমেজাওয়ার কারনে ক্ষেতের ফসল সঠিক ভাবে বেড়ে উঠতে পারছিলোনা। চিন্তার মধ্যে পড়েগিয়েছিলাম কিভাবে ৩০-৩৫ একর জমিতে সেচ দিবো। অনেক টাকারও দরকার। তাছাড়া সাধারণ ফসলের ক্ষেতে সহজেই সেচ দেওয়া যায় কিন্তু পেঁয়াজ বীজের ক্ষেতে সেচ দেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য। গতবছর প্রখর রোদের কারনে পেঁয়াজ বীজের ফুল শুকিয়ে গিয়েছিলো। তার পরেও সেচ দিতে পারিনি। জমিতে সেচ দিতে না পারার কারনে অনেক ফলন কমে গিয়েছিলো। এবছর বৃষ্টি আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। বৃষ্টির কারনে ক্ষেতের ফসল নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।
সদর উপজেলার নরসিংহদিয়ার আদর্শ কৃষক আলম ব্যাপারী বলেন, চলতি মৌসুমে আমি ৪৫ একর জমি চাষাবাদ করেছি। আমার জমিতে এখন আছে বারি ৪ পেঁয়াজ, বারি ৫ পেঁয়াজ, সূর্যমূখী, কালোজিরা, গম। আমার প্রতিটি ফসলে পানির প্রয়োজন ছিলো। কিছু জমিতে পানি দেওয়াও শুরু করেছিলাম। হঠাৎ গতকালের বৃষ্টিতে আমার জমিগুলো ভিজিয়ে দিয়ে গেছে। এখন আর পানি দেওয়ার জন্য বাড়তি টাকার প্রয়োজন হবে না। আল্লাহ তালার অশেষ রহমতের পানিতে আমার জমির ফসল নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ ড. মো: হজরত আলী বলেন, শীত মৌসুমের শুস্ক আবহাওয়ার কারনে মাটির আদ্রতা কমেযায়। ফলে এ সময় চাষিদের ফসলের ক্ষেতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হয় ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য। এই বৃষ্টি চাষিদের জন্য আশীর্বাদ। চাষিদের টাকা খরচ করে ক্ষেতে সেচ দেওয়া লাগবে না। ফলে চাষিদের উৎপাদন খরচ কিছুটা হলেও কমবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION