1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
ফরিদপুরের “জিয়া খাল”র খনন চায় এলাকার কৃষকরা মাতৃত্বকালীন ভাতা নিয়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! কবিরপুর চরের নদী ভাঙ্গণ এলাকা থেকে ইট তুলে অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ! ফরিদপুরের সালথায় জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ  চৌধুরী নায়াব ইউসুফের উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প বিএপির পদ পেয়েই বদলে গেছে স্বামী! অজ্ঞাত যুবকের ছয় খন্ড মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে নিখোজের দুই দিনপর নারীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবী হত্যা আদালত চত্ত্বরে স্বামী হত্যার বিচারের দাবিতে কাঁদলেন স্ত্রী দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের যাত্রা শুরু

৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদরাসার সভাপতির বিরুদ্ধে

  • Update Time : বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩
  • ৪১৫ জন পঠিত

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার কাটাগড় শাহ দেওয়ান দাখিল মাদরাসার সভাপতির বিরুদ্ধে মাদরাসার জনবল নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে প্রার্থী কাটাগড় গ্রামের বাসিন্দা সজল মোল্যার নিকট থেকে ৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সজল মোল্যার চাচাতো ভাই আব্দুল আহাদ গত ৭ মার্চ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বোয়ালমারী বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অনুলিপি দিয়েছেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক, বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর। অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তধীন রয়েছে। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ মাদরাসার নৈশপ্রহরী নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে সজল মোল্যার নিকট থেকে ৬ লাখ টাকা নেন মাদরাসার সভাপতি মো. নুরইসলাম। পরবর্তীতে আরো ৬ লাখ টাকা দাবী করেন। ওই দাবীকৃত ৬ লাখ টাকা না দিলে তাকে নিয়োগ দেওয়া হবে না বলেও ভয়ভীতি দেখায়। মাদরাসার সভাপতি মো. নুরইসলাম বলেন, অভিযোগটি আমার কাছে আছে। আমি নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে কোন টাকা নেয়নি। আমার বিরুদ্ধে সব মিথ্যা বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র। অভিযোগকারী আব্দুল আহাদ বলেন, আমার চাচাতো ভাই সজল মোল্যার চাকুরী দেওয়ার কথা বলে আমাদের নিকট থেকে নগদ ৬ লাখ টাকা নেয় মাদরাসার সভাপতি মো. নুরইসলাম। পরে আরো ৬ লাখ টাকা দাবী করেন। আরো ৬লাখ টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় চাকুরী দিতে পারবে না বলে জানান সভাপতি। অন্য একজনকে গত ১০ মার্চ নিয়োগ দিয়েছে। বর্তমানে সভাপতি সেই ৬ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন ভয়ভিতী দিচ্ছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, নিয়োগের ব্যাপারে তিনি কোন অভিযোগ পাননি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারেফ হোসাইন বলেন, নিয়োগে টাকা নেওয়ার ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. রাকিবুল ইসলামকে তদন্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ইউএনও স্যার নিয়োগে টাকা নেওয়ার ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ গত ২১ মার্চ তদন্ত করার জন্য দিয়েছেন। এখনও নোটিশ করা হয়নি। দুই পক্ষকে নোটিশ করে ডেকে শুনে তার পর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION