1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
চৌধুরী নায়াব ইউসুফের উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প বিএপির পদ পেয়েই বদলে গেছে স্বামী! অজ্ঞাত যুবকের ছয় খন্ড মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে নিখোজের দুই দিনপর নারীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবী হত্যা আদালত চত্ত্বরে স্বামী হত্যার বিচারের দাবিতে কাঁদলেন স্ত্রী দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের যাত্রা শুরু দীর্ঘ দুই বছর পর ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওটি চালু ফরিদপুরে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুর পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার উদ্যোগ

মধুখালীতে জমেছে বোরো ধানের চারার হাট

  • Update Time : শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৫৪ জন পঠিত
মধুখালীতে জমেছে বোরো ধানের চারার হাট
মধুখালীতে জমেছে বোরো ধানের চারার হাট

মধুখালী সংবাদদাতা : চলছে বোরো আবাদের মৌসুম। কোন কোন কৃষক আবাদ শুরু করেছেন কেউ বা শেষের দিকে চারা রোপণে ব্যস্ত। আর বিভিন্ন রোগ-বালাইয়ের কারণে অনেক বীজতলা নষ্ট হওয়ায় চাষিদের ভরসা করতে হচ্ছে চারা বিক্রির হাটের উপর। হাট থেকে চারা ক্রয় করে জমিতে রোপণ করছেন চাষিরা। এমন কয়েকটি বোরো ধানের চারা বিক্রির হাট রয়েছে মধুখালী উপজেলার বিভিন্নস্থানে। বাজারে চারার কয়েক গুন বেশি দাম ছাড়াও কোন কোন ক্ষেতে চারা রোপণ করলেও সেগুলো আজানা কারনে মারা যাওয়ায় পুনরায় চারা রোপন করতে হচ্ছে।

উপজেলার মধুখালী, কামারখালী বাজার এলাকায় বোরো ধানের চারা বিক্রির হাট রয়েছে। রীতিমত সেখান থেকে চাষিরা চারা কিনে নিয়ে জমিতে রোপণ করছেন। চারা বিক্রি হয় পোন হিসাবে এক পোন চারার মূল্য ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতি বস্তা চারা ক্রয়ে খাজনা দিতে হয় ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বোরো আবাদের জন্য মধুখালী হাটে চারা কিনতে আসা মোঃ ইমু মাহমুদ বলেন, আমাদের যে চারা ছিল তা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হাট থেকে চারা কিনতে হচ্ছে। শতক জমি রোপণের জন্য চারা কিনতে আসছি। মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন চারা কিনতে চেয়েছিলাম দাম একটু বেশি থাকায় এ বছর ধানের চারা রোপন করবো না।

চারা বিক্রেতা মোঃ আবির বলেন, ‘আমার জমিতে বেশি বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। আমার চারা লাগানো হয়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত চারা বেঁচে ফেললাম। উপজেলা কৃষি অফিসার আলভির রহমান বলেন, ‘উপজেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্র ছিলো ১ হাজার পাঁচশত ৮৫ হেক্টর। এখন পর্যন্ত বোরো আবাদ হয়েছে ১ হাজার সাতশত ৯৫ হেক্টর জমিতে। চাষিদের সঠিক পরার্মশ এবং আবহাওয়া অনুকুলে থাকার কারণে বোরো লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে’। তিনি আরও বলেন, এবছর উপজেলায় বোরো এবং গম অনেক ভালো ফলন হবে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION