মোঃ সরোয়ার হোসেন, ভাঙ্গা : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের মানিকদী গ্রামে ভুয়া মৃত্যু সনদ দেখিয়ে মোঃ সুর্য খানের জমি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন প্রভাবশালী প্রতিপক্ষরা। একটি মহলের অপতৎপরতায় ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি মোটা অংকের বিনিময়ে ভ’য়া কাগজপত্র তৈরী করে সম্পত্তি হাতছাড়া করার পায়তারা করছেন এমনই অভিযোগ করেন ভ’ক্তভোগী সুর্য খান। জানা যায়, ওই গ্রামের লাল খান বিগত ০২/০২/২০১১ ২০১১ সালের ২ ফেব্রæয়ারী সালে মৃত্যু বরন করে। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা রেখে মারা জান। মৃত লাল খানের কোন পুত্র সন্তান না থাকায় স্ত্রী – কন্যার পাশাপাশি ওয়ারিশ মূলে তার ভাতিজা মোঃ সূর্য খান স¤পত্তির মালিক হন। তিনি(সূর্য খান) দীর্ঘ ১২ বছর যাবত তার অংশের স¤পত্তি ভোগ দখল করে আসছেন। সা¤প্রতিক তার স্ত্রী বলে বেড়াচ্ছেন তার স্বামী মৃত্যুর পূর্বে তাকে তার স¤পত্তি দলিল মূলে লিখে দিয়েছেন। এবিষয়ে সূর্য খান জানান তার চাচা বিগত ২০১১ সালের ২ ফেব্রæয়ারী মৃত্যু বরন করেছে। যার প্রমাণ স্বরূপ ভাঙ্গা উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের কার্যালয় ১৮/১২/২০১১ তারিখের চিঠি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার চাচি একটা দলিল দেখাচ্ছেন যেখানে দলিলের তারিখ রয়েছে চাচার মৃত্যুর ১ মাস পরের তারিখে।
তিনি বলেন, আমার লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে স্যানিটারী অফিসার সহ এলাকায় তদন্ত দল পাঠিয়ে মৃত্যুর সটিক সময় নির্ধারন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করেন। পরে মৃত্যু সনদ প্রদান করা হয়। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, মৃত্যুর পরে কিভাবে দলিল দেয়? এদিকে সরেজমিন এলাকা ঘুরে স্থানীয় কয়েক ব্যাক্তির সাথে কথা বললে তারা জানান,তদন্ত সাপেক্ষে মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়েছে। একটি চক্রের ্রপ্রতারনায় সুর্য খানের জমি দখল করার জন্য দলিল নাটক সাজিয়েছে। তাছাড়া অপতৎপরতা চালিয়ে নতুন করে মৃত্যু সনদ তৈরী করে দলিল বৈধ করার চেষ্টা করছে মহলটি। সুর্য খান অভিযোগ করে বলেন, চাচা যদি দলিল করে দিয়ে থাকেন তাহলে এতদিন না বলে ১২ বছর পরে কেনো বলা হচ্ছে। মূলত চাচি টাকা দিয়ে মিথ্যা ও ভুয়া মৃত্যু সনদ বানিয়ে জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিক সালিস বৈঠকে সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগী সুর্য খান বাদী হয়ে বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করছেন। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।