ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর চরে পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে কবলে পড়া সড়কের ইট তুলে নিয়ে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ অভিযোগ অস্বিকার করেছেন চার নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা হোসেন সরল। এদিকে এ নিয়ে পরস্পর বিরোধি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বসিন্দারা জানান, কবিরপুর চরের ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়ে ইটের তৈরি সড়কও। তবে, স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে এসব ইট তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। বিপুল পরিমান ইটের একটি বড় অংশ গোপনে বিক্রি করে দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। তাদের দাবী, সামান্য কিছু ইট জমা করে রেখে আড়ালে চলছে ইট বিক্রির মহোৎসব।
এদিকে এ প্রসঙ্গে নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. মোস্তফা হোসেন সরল বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ইট তুলে এনেছেন তিনি। ইট না তুলতে পারলে তা নদীতে চলে যেতো। তাই ইট তুলে জমা করে রেখেছেন। তিনি তার হেফাজতে ৮২ হাজার ইট রয়েছে বলে স্বিকার করেছেন।
আর ইট জিম্মায় রাখার নির্দেশনা প্রদান প্রসঙ্গে কিছুই বলতে পারেননি ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন। তিনি ইট তোলার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আছে কিনা তা বলতে পারেননি।
অপরদিকে রোববার দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, গুচ্ছ গ্রামের সরকারী ঘরগুলোর ইট সংগ্রহ করে রাখতে বলা হয়েছে, কিন্তু সড়কের ইট তোলার বিষয়ে কাউকে কোনা নির্দেশনা দেয়া হয়নি। তিনি আরো জানান, এই ইট ব্যাক্তিগতভাবে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। কেই বিক্রি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। #