1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
ফরিদপুরের “জিয়া খাল”র খনন চায় এলাকার কৃষকরা মাতৃত্বকালীন ভাতা নিয়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! কবিরপুর চরের নদী ভাঙ্গণ এলাকা থেকে ইট তুলে অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ! ফরিদপুরের সালথায় জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ  চৌধুরী নায়াব ইউসুফের উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প বিএপির পদ পেয়েই বদলে গেছে স্বামী! অজ্ঞাত যুবকের ছয় খন্ড মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে নিখোজের দুই দিনপর নারীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবী হত্যা আদালত চত্ত্বরে স্বামী হত্যার বিচারের দাবিতে কাঁদলেন স্ত্রী দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের যাত্রা শুরু

প্রচন্ড খরায় মধুখালীতে কৃষির ক্ষতির আশঙ্কা

  • Update Time : সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৩৭১ জন পঠিত
প্রচন্ড খরায় মধুখালীতে কৃষির ক্ষতির আশঙ্কা
প্রচন্ড খরায় মধুখালীতে কৃষির ক্ষতির আশঙ্কা

মধুখালী সংবাদদাতা : প্রচন্ড খরায় মধুখালীতে কৃষির উপর প্রভাব পরেছে। খরতাপে পুড়ছে মরিচ পাটসহ অন্যান্য ফসল। আম, লিচুসহ মৌসুমী ফল ঝরে পড়ছে।একদিকে বৃষ্টি না হওয়ায় অপরদিকে দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্র বিরাজ করায় চলছে পানির হাহাকার। বাড়িতে বসানো সাধারণ টিউবওয়েল এবং কৃষকের গভীর নলকূপ থেকে পানি উঠছে কম। এছাড়া গ্রামের অধিকাংশ পুকুরের পানিও শুকিয়ে গেছে। কৃষি অফিস ও এলাকাবাসির কাছে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ১টি পৌরসভাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ফসলের মাঠে সেচের মাধ্যমে চলছে ফসল উৎপাদন।

উপজেলার গাজনা, রায়পুর, আড়পাড়া, নওপড়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে পানির লেয়ার নিচে নেমে যাওয়ায় ধানক্ষেতে সেচ দিতে বোরিং দিয়ে সেচযন্ত্র বসিয়ে পানি তুলতে হচ্ছে। তাপদাহের কারণে বোরো মৌসুমে ধানক্ষেতের মাটি শুকিয়ে যাওয়ায় ৩ থেকে ৪ দিন পরপর সেচ দিতে হয়েছে কৃষকের। জমিতে পানি দিতে কৃষকের ভোগান্তির পাশাপাশি সেচ খরচ লাগছে অনেক বেশী। উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আড়পাড়া গ্রামের কৃষক মোঃ আকরাম বলেন, ২০ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করছেন। একদিন পানি দিলে পরের দিন পানি শুখিয়ে যাচ্ছে। পানির অভাবে একদিন পরপর সেচ দিতে হচ্ছে। কিন্তু সেচে প্রচুর খরচ বিধায় তা সম্ভব হচ্ছেনা।

গাজনা ইউনিয়নের বেলেশ্বর গ্রামের কৃষক সেলিম পরামানিক বলেন, তিনি মরিচ ও পাট চাষ করেছেন। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় মাঠে খরায় মরিচ গাছ শুখিয়ে পরছে। সেচ দিয়ে চারা বাচাঁনোর চেষ্টা চালাচ্ছি। উপজেলা সহকারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, প্রচন্ড খরার কারণে মধুখালীর বেশ কিছু এলাকায় গভীর নলকূপ থেকেও পানি উঠাতে শক্তি প্রয়োগ করতে হচ্ছে। অনেক স্থানে টিউবয়েলে পানি ধরে রাখতে পারছেনা। পানির লেয়ার নীচে নেমে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। যেখানে স্বাভাবিক ১৮/১৯ ফুটের মত পানির স্থর থাকার কথা সেখানে উপজেলার ডুমাইনে ভূগর্ভের পানি স্তর প্রায় ২৩/২৪ ফুটের বেশী নীচে নেমে গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার আলভির রহমান জানান, অনাবৃষ্টি আর প্রচন্ড খরতাপে কৃষির উপর প্রভাব ফেলেছে। তবে তা এখনো অত্যাধিক ক্ষতি হয়নি। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় এবং জেলায় এ বছর অধিক তাপমাত্রা বিরাজ করায় ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। অধিক খরচে তারা সেচের মাধ্যমে জমিতে পানি সরবারহ করছে। খরতাপে বোরো ধানের ক্ষেত, মরিচ পাট, আম, লিচুসহ অন্যান্য ফসল নষ্ট হবার উপক্রম। তবে তিনি বলেন আবহাওয়া আরও কিছুদিন এমন অবস্থা বিরাজ করলে সামনে ফসলের অত্যধিক ক্ষতির আশংঙ্কা রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION