1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
ফরিদপুরের “জিয়া খাল”র খনন চায় এলাকার কৃষকরা মাতৃত্বকালীন ভাতা নিয়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ! কবিরপুর চরের নদী ভাঙ্গণ এলাকা থেকে ইট তুলে অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ! ফরিদপুরের সালথায় জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ  চৌধুরী নায়াব ইউসুফের উদ্যোগে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প বিএপির পদ পেয়েই বদলে গেছে স্বামী! অজ্ঞাত যুবকের ছয় খন্ড মরদেহ উদ্ধার ফরিদপুরে নিখোজের দুই দিনপর নারীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবী হত্যা আদালত চত্ত্বরে স্বামী হত্যার বিচারের দাবিতে কাঁদলেন স্ত্রী দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের যাত্রা শুরু

পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বসে কাজ করছে বোয়ালমারীর সরসুন্দর কার্তিক

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৫৫১ জন পঠিত
পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বসে কাজ করছে বোয়ালমারীর সরসুন্দর কার্তিক
পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বসে কাজ করছে বোয়ালমারীর সরসুন্দর কার্তিক

বোয়ালমারী সংবাদদাতা : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল গ্রামের কার্তিক শীল (৭৭) পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বিভিন্ন বাজারের গলিতে বসে কাজ করে আসছেন। তার পাশে আরেক নরসুন্দর একই গ্রামের পবিত্র শীল (৬০) গত ৪০ বছর ধরে ফিড়েতে বসে কাজ করে আসছেন। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে সহস্রাইল বাজারে গিয়ে দেখা যায়, হাঁস মুরগির গলিতে বসে তারা কাজ করছেন।

এ সময় নরসুন্দর কার্তিক শীলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গত পাঁচ যুগ ধরে কাটাগড়, আলফাডাঙ্গা, সূর্যোগ বাজারে মাটিতে চকি আর ফিড়ে দিয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। সংসারে ছেলে মেয়ে দিয়ে ৫ জন রয়েছে। বড় ছেলে বোবা। বড় ছেলে সূর্যোগ বাজারে এবং ছোট ছেলে সহস্রাইল বাজারে নরসুন্দরের কাজ করে। তিনি বলেন এখন আর তেমন কাজ করতে পারি না বয়াসের জন্য। সপ্তাহে শুধু সহস্রাইল বাজারে মঙ্গলবার ও শুক্রবার দুই হাটে কাজ করি। কোন দিন ২ শত টাকা, ৩ শত টাকা আয় হয়। দুইদিন বাদে বাকি দিন গুলো বাড়িতে থাকি। ভিটে ছাড়া আর কোন জমি নেই। কোন রকম দিন কেটে যায়। বাব দাদার ব্যবসা ছাড়তে পারছি না।

তিনি আরো জানায় তার নামে বয়স্ক ভাতা রয়েছে। একই গ্রামের পাশের আরেক নরসুন্দর পবিত্র শীল বলেন, গত ৪০ বছর ধরে সহস্রাইল বাজারে মাটিতে বসে নরসুন্দরের কাজ করে আসছি। সংসারের তিন মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে। তিন মেয়ের মধ্যে দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। দুই হাটে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে সংসার চালায়। তারা বলেন, বর্তমান বিভিন্ন বাজারে উন্নত সেলুন হওয়ার কারনে আমাদের কাছে মানুষ কম আছে। এক সময় মাটিতে বসে কাজ করে ৫ থেকে ৭ শত টাকা প্রতিদিন আয় হতো।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION