1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
সরকারী ও বিরোধী দলের অংশগ্রহনে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে চান জামায়াত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম মিয়ার ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত সুস্থ জীবন গড়ার আহ্বানে বি-৭১ এর পরিচ্ছন্ন পোষাক বিতরণ ও  বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশে নিয়োগ হবে – ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল  ফরিদপুরে সরকারী রাস্তার ইট লুট, দুই দিনেও মামলা হয়নি সরকারি লিজ নেয়া জায়গার দোকান ভেঙে দখলে নেয়ার অভিযোগ প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে মধুখালীর প্রয়াত যুবদল নেতার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান চরের সরকারী রাস্তার ইট লুট রুখে দিলো এলাকাবাসী মানববন্ধন করতে পারেনি ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা 

সালথায় প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল যুবক

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৬৭২ জন পঠিত
সালথায় প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল যুবক
সালথায় প্রেমিকাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরল যুবক

মনির মোল্যা, সালথা : ফরিদপুরের সালথায় পরকিয়ায় জড়িয়ে আফরুজা বেগম নামে এক সন্তানের জননীকে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরেছেন মিলন শেখ (২৫) নামে এক যুবক। এটা হত্যা, না আত্মহত্যা তা নিয়ে চলছে এলাকায় নানা গুঞ্জন। তবে নিহতের পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত মিলন সালথা উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের কামদিয়া গ্রামের মো. ময়নদ্দিন শেখের ছেলে। আর আফরুজা প্রতিবেশী মো. মালেক মুন্সীর মেয়ে। বুধবার গভীর রাতে মিলনের লাশ দাফন করা হয়। কামদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বলেন, গত চার বছর আগে আফরুজার সাথে পাশ^বর্তী তালমা ইউনিয়নের তালেশ^র গ্রামের শহিদ মাতুব্বরের ছেলে বাবু মাতুব্বরের বিয়ে হয়। আলামিন নামে তিন বছর বয়সী তাদের একটি সন্তান রয়েছে। তবে বিয়ের পর ঘনঘন বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসতো আফরুজা। এরই মধ্যে মিলনের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে তিনি।

একপর্যায় গত ৩০ জুলাই আফরুজাকে নিয়ে পালিয়ে যায় মিলন। তিনি বলেন, পালিয়ে গিয়ে মিলন তার প্রতিবেশী হাবিলের সহযোগিতায় দোহার থানার নারিশা বাজারে একটি বাসা ভাড়া নেয়। হাবিল আগে থেকেই দোহারে থাকেন। সেখানে মিলন-আফরুজা বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করে। মঙ্গলবার রাতে খবর আসে দোহারে মিলনের লাশ পাওয়া গেছে। পরে পরিবারের লোকজন দোহার থানা থেকে মিলনের লাশ নিয়ে এসে বুধবার রাতে দাফন করেন। আমাদের ধারনা মিলনকে হত্যা করা হয়েছে। মিলনের বাবা মো. ময়দ্দিন অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলে মিলন দোহার থাকতো। সেখানে রাজমিস্ত্রি কাজ করতো। কয়দিন আগে প্রতিবেশী মালেক মুন্সীর বিবাহিত মেয়ে আফরুজা আমার ছেলের বাসায় গিয়ে উঠে। এই খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে আফরুজার আগের স্বামী মাদকাসক্ত বাবু লোকজন নিয়ে দোহার মিলনের বাসায় গিয়ে তাকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখে। এ ঘটনায় দোহার থানা পুলিশ আফরুজা ও হাবিলসহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। আমরা দোহার থানায় হত্যা মামলা করতে গেলেও মামলা করতে পারিনি। পরে আমরা লাশ নিয়ে চলে আসি। এখন আদালতে মামলা করবো।

আফরুজার আগের স্বামী অভিযুক্ত বাবু মাতব্বর হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমার স্ত্রী আফরুজাকে নিয়ে পালিয়ে যায় মিলন। সাথে আমার সন্তানকেও নিয়ে যায়। তারপর আমি তাদের অনেক খুজতে থাকি। মঙ্গলবার রাত ১১ টাকার দিকে হাবিল আমাকে ফোন করে বলে- তোর স্ত্রী আফরুজা আর মিলনের লাশ পাওয়া গেছে দোহার নারিশা বাজারে, তুই জরুরী ১০ হাজার টাকা পাঠা, ওদের লাশ নিতে হবে। পরে খোজখবর নিয়ে জানতে পারি আফরুজা মারা যায়নি- মিলন মারা গেছে। এর বাহিরে আমি কিছুই জানি না। আমার সাথে এখনও আফরুজার কোন যোগাযোগ হয়নি। মিলনের লাশ উদ্ধারকারী দোহার থানার এসআই শরিফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন- ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানতে পারি, কয়দিন আগে সালথা থেকে মিলন ও আফরুজা দোহারে এসে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে।

তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে থাকতেন। তাদের সাথে একটি সন্তানও ছিল। তারা পরকিয়া করে বিয়ে করে বলে জানতে পারি। বিষয়টি মিলনের পরিবার জানতে পেরে মঙ্গলবার ফোনে তাকে রাগারাগি করে। আফরুজার আগের স্বামীও মিলনকে ফোনে হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে মিলন ও আফরুজার মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায় রাগারাগি করে মিলন বাসা থেকে বেরিয়ে গিয়ে বাসার পাশে একটি গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠাই। এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আফরুজা ও হাবিলসহ ৩ জনকে থানায় নিয়ে আসি। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট আসার পর বুঝা যাবে এটা হত্যা, না আত্মহত্যা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION