স্টাফ রিপোর্টার : লকডাউনে দ্বিতীয় দিনে ফরিদপুরে বেড়েছে মানুষের চাপ। একই সাথে শহরে বিভিন্ন বাজারে এবং অলিগলিতে আগের থেকে অনেক বেশি পরিমাণ লোককে চলাফেরা করতে দেখা গেছে । শহরে যথারীতি
মোঃ সরোয়ার হোসেন, ভাঙ্গা : গানে গানে যিনি মানুষের কথা বলতেন, শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে যার কণ্ঠ জ্বলে উঠত সেই ফকির আলমগীর আর নেই। চলে গেলেন না ফেরার দেশে।গণসংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা
স্টাফ রিপোর্টার : ফরিদপুর থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ফরিদপুর বানীর সম্পাদক ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো: মুশফিকুর রহমান ঝান্ডা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি
স্টাফ রিপোর্টার : লকডাউনের প্রথম দিনেই ফরিদপুরের কড়াকড়ি অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। জেলা সদরে পুলিশের ১৬টি চেকপোস্ট স্থাপনের পাশাপাশি জেলাজুড়ে প্রশাসনের ২০টি মোবাইল কোর্ট কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।
স্টাফ রিপোর্টার : দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম চিকিৎসানগরী হিসেবে পরিচিত ফরিদপুর জেলার প্রধান হাসপাতালগুলোর সেবা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে বাংলাদেশ চেম্বার এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর পক্ষ থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও হাইফ্লো ক্যানোলা হস্তান্তর করা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ফরিদপুর জেলার কোতয়ালী থানায় কর্মরত কনস্টেবল কবির হোসেন (৫৭), পিতা-মৃত আঃ রাজ্জাক, স্থায়ী ঠিকানাঃ সাং-বেজাড়া, থানা-মুকসুদপুর, জেলা-গোপালগঞ্জ অদ্য ১৩-০৭-২০২১ খ্রিঃ বেলা ১৩:৪৫ ঘটিকার সময় কোতয়ালী থানার এসআই (নিঃ)
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর ক্রমবর্ধিষ্ণু সংক্রমন প্রতিরোধে দেশের অভ্যন্তরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে ০১ জুলাই/২০২১ তারিখ সকাল ০৬.০০ ঘটিকা হতে ১৪ জুলাই/২০২১ খ্রিঃ তারিখ মধ্যরাত
স্টাফ রিপোর্টার : সাভার সেনানিবাসের জিওসি ঌ পদাতিক ডিভিশন এবং এরিয়া কমান্ডার সাভার অঞ্চল কর্তৃক ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে দুস্থ গরিব মানুষদের বাছাই করে ত্রাণ বিতরণ করা হয় । এ
স্টাফ রিপোর্টার : সাভার সেনানিবাসের জিওসি ৯ পদাতিক ডিভিশন এবং এরিয়া কমান্ডার সাভার অঞ্চল কর্তৃক ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে দুস্থ গরিব মানুষদের বাছাই করে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। সোমবার নগরকান্দা
পুলিশ বিজ্ঞপ্তি : ঢাকা রেঞ্জের সম্মানিত রেঞ্জ ডি আই জি জনাব হাবিবুর রহমান বিপিএম(বার), পিপিএম(বার) এর নির্দেশনায়,ফরিদপুর জেলার মাননীয় পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আলীমুজ্জামান বিপিএম(সেবা) স্যারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের আইসোলেশন নিশ্চিতকরণ ও সবার মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে প্রত্যেক থানায় করোনা পজিটিভ ব্যক্তির নাম, ঠিকানা ও অবস্থান এবং মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যগনকে প্রতিদিন ফোন করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য ( যেমনঃ হোম কোয়ারেন্টাইন থাকা, মাস্কের ব্যবহার, সাবান দিয়ে হাত না ধুয়ে নাকে মুখে হাত না দেয়া, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার ও ঔষধ গ্রহন ইত্যাদি) নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।