1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
ফরিদপুরে বিষপানে তরুণীর মৃত্যু ফরিদপুরে ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা ফরিদপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি মানুষের মুক্তির প্রতিক ধানের শীষ – চৌধূরী নায়াব ইউসুফ মানুষের ভালোর জন্যে রাজনীতি করি -চৌধূরী নায়াব ইউসুফ এমপি সরকারী ও বিরোধী দলের অংশগ্রহনে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে চান জামায়াত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম মিয়ার ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত সুস্থ জীবন গড়ার আহ্বানে বি-৭১ এর পরিচ্ছন্ন পোষাক বিতরণ ও  বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশে নিয়োগ হবে – ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল 

পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বসে কাজ করছে বোয়ালমারীর সরসুন্দর কার্তিক

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৫১৩ জন পঠিত
পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বসে কাজ করছে বোয়ালমারীর সরসুন্দর কার্তিক
পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বসে কাজ করছে বোয়ালমারীর সরসুন্দর কার্তিক

বোয়ালমারী সংবাদদাতা : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার সহস্রাইল গ্রামের কার্তিক শীল (৭৭) পাঁচ যুগ ধরে কাঠের ফিড়েতে বিভিন্ন বাজারের গলিতে বসে কাজ করে আসছেন। তার পাশে আরেক নরসুন্দর একই গ্রামের পবিত্র শীল (৬০) গত ৪০ বছর ধরে ফিড়েতে বসে কাজ করে আসছেন। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে সহস্রাইল বাজারে গিয়ে দেখা যায়, হাঁস মুরগির গলিতে বসে তারা কাজ করছেন।

এ সময় নরসুন্দর কার্তিক শীলের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, গত পাঁচ যুগ ধরে কাটাগড়, আলফাডাঙ্গা, সূর্যোগ বাজারে মাটিতে চকি আর ফিড়ে দিয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। সংসারে ছেলে মেয়ে দিয়ে ৫ জন রয়েছে। বড় ছেলে বোবা। বড় ছেলে সূর্যোগ বাজারে এবং ছোট ছেলে সহস্রাইল বাজারে নরসুন্দরের কাজ করে। তিনি বলেন এখন আর তেমন কাজ করতে পারি না বয়াসের জন্য। সপ্তাহে শুধু সহস্রাইল বাজারে মঙ্গলবার ও শুক্রবার দুই হাটে কাজ করি। কোন দিন ২ শত টাকা, ৩ শত টাকা আয় হয়। দুইদিন বাদে বাকি দিন গুলো বাড়িতে থাকি। ভিটে ছাড়া আর কোন জমি নেই। কোন রকম দিন কেটে যায়। বাব দাদার ব্যবসা ছাড়তে পারছি না।

তিনি আরো জানায় তার নামে বয়স্ক ভাতা রয়েছে। একই গ্রামের পাশের আরেক নরসুন্দর পবিত্র শীল বলেন, গত ৪০ বছর ধরে সহস্রাইল বাজারে মাটিতে বসে নরসুন্দরের কাজ করে আসছি। সংসারের তিন মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে। তিন মেয়ের মধ্যে দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। দুই হাটে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে সংসার চালায়। তারা বলেন, বর্তমান বিভিন্ন বাজারে উন্নত সেলুন হওয়ার কারনে আমাদের কাছে মানুষ কম আছে। এক সময় মাটিতে বসে কাজ করে ৫ থেকে ৭ শত টাকা প্রতিদিন আয় হতো।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION