1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন ফরিদপুরে বিএনপি নেতার উদ্যোগে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিললো ১৪ বছর পর রায় : ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদন্ড মাদক খুঁজতে গিয়ে অস্ত্রের সন্ধান পেলো র‌্যাব, পাঁচ আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক পাঁচ মধুখালীতে বাথরুমে স্ল্যাবের নিচে বস্তাবন্দি নারীর কঙ্কাল উদ্ধার ফরিদপুরের ভূমি কর্মকর্তার গুনে গুনে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল সনাতনীরা এদেশে মাথা উচু করে চলাফেরা করবে -উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি ফরিদপুরে ১২ দলীয় ফুটবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি নিহত ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যাকারীদের গ্রফতার ও  বিচার দাবি

মধুখালীতে কাঁচা মরিচের দাম চড়া : কেজি ২৩০

  • Update Time : শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ৫৪১ জন পঠিত
মধুখালীতে কাঁচা মরিচের দাম চড়া : কেজি ২৩০
মধুখালীতে কাঁচা মরিচের দাম চড়া : কেজি ২৩০

মধুখালী সংবাদদাতা : ফরিদপুরের মধুখালীতে বেড়েই চলেছে কাঁচা মরিচের দাম। উপজেলার হাটবাজারে কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতিমণ মরিচের পাইকারি দাম ৪ হাজার ৮০০ থেকে বেড়ে ৯ হাজার টাকা মণ দাঁড়িয়েছে। আজ শনিবার প্রতিমণ মরিচের দাম ৮ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ৯ হাজার ২০০ টাকা দরে আড়তদারেরা ক্রয় করছেন। এতে মরিচের পাইকারি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৩০ টাকা এবং খুচরা বাজারে এ মরিচবিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা দরে। চাহিদার তুলনায় মরিচ সরবরাহ কম হওয়ায় দাম বাড়ছে বলে মত অনেকের।

মধুখালী মরিচ বাজারের আড়তদার মো. লিটন শেখ জানান, গত সপ্তাহখানেক আগেও কাঁচা মরিচের প্রতিমণ কিনেছি ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে সেই মরিচের দাম বেড়ে ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৮ হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আরেক ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুর নূর (জনি) বলেন, ফলন কম হওয়ায় বাজারে মরিচের আমদানি কম। দাম বেশি। কোরবানীর ঈদের আগে মরিচের দর কমবে না বলেও জানান তিনি।

মধুখালীর মরিচ বাজার আড়ত থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজার, খুলনা, সাতক্ষীরার তালা, মাগুরা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুরের টেকেরহাট, যশোরের বাঘারপাড়াসহ দেশের কয়েকটি জেলার বাজারে মরিচ যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলভির রহমান জানান, মধুখালী উপজেলার মাটি মরিচ চাষের জন্য উপযোগী। এ মৌসুমে বৃষ্টি কম হওয়ায় মরিচের ফলন কম হয়েছে। বৃষ্টি হলে মরিচের ফলন বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। তখন দাম স্বাভাবিক হবে। এ বছর উপজেলায় ২ হাজার ৬৮৫ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। গত মৌসুমে ২ হ্াজার ৬৪০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছিল। যা গতবারের চেয়ে ৪৫ হেক্টর বেশি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION