1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত তিন ফরিদপুরে বিএনপি নেতার উদ্যোগে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিললো ১৪ বছর পর রায় : ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদন্ড মাদক খুঁজতে গিয়ে অস্ত্রের সন্ধান পেলো র‌্যাব, পাঁচ আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক পাঁচ মধুখালীতে বাথরুমে স্ল্যাবের নিচে বস্তাবন্দি নারীর কঙ্কাল উদ্ধার ফরিদপুরের ভূমি কর্মকর্তার গুনে গুনে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল সনাতনীরা এদেশে মাথা উচু করে চলাফেরা করবে -উল্টো রথযাত্রার উদ্বোধনে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ এমপি ফরিদপুরে ১২ দলীয় ফুটবলের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশি নিহত ফরিদপুরে ব্যবসায়ী ইউসুফ হত্যাকারীদের গ্রফতার ও  বিচার দাবি

দ্রুত বাড়ছে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ

  • Update Time : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৫৮২ জন পঠিত
দ্রুত বাড়ছে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ
দ্রুত বাড়ছে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ

স্টাফ রিপোর্টার : ঋতুচক্রে এখন শরৎকাল। তবে দিনে প্রখর রোদ ও শেষ রাতে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে ফরিদপুর জেলার সর্বত্র। দিন-রাতে তাপমাত্রার এমন পরিবর্তনের কারণে নারী-শিশুসহ সব বয়সি মানুষ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সাথে হঠাৎ বেড়েছে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ। গত দুই সপ্তাহে এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার শত শত নারী-পুরুষ ও শিশুরা এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিদিনই চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। তবে চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত পুরুষের সংখ্যাই বেশি।

এদিকে জেলা ও উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজারের ফর্মেসিগুলোতে চোখের ড্রপের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে চাহিদা মতো ড্রপ না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে রোগীরা। চিকিৎসকরা বলছেন, ভাইরাসজনিত চোখ ওঠা রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে এ রোগে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফরিদপুরের প্রায় প্রত্যেক গ্রামেই চোখ ওঠা রোগ হানা দিয়েছে। প্রতিদিনই সরকারি হাসপাতাল, গ্রাম্য চিকিৎসক ও চক্ষু বিশেষজ্ঞদের কাছে চোখ ওঠা রোগীরা ভিড় করছেন। বাড়ির একজন সদস্য আক্রান্ত হলে পরিবারের প্রায় সব সদস্যই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

সাধারণত চোখ লাল হওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখে ময়লা হওয়া, চোখে ব্যথা অনুভব ও খচখচ করা, রোদে অস্বস্তি লাগা লক্ষণ নিয়ে রোগীরা চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন। এ রোগে আক্রান্ত শিশুরা ৪-৫ দিনের মধ্যে ভালো হলেও বড়দের ক্ষেত্রে ৮ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে। চিকিৎসকরা জানান, দিনে গরম রাতে শীত এমন অবস্থায় জ্বর, সর্দিকাশি ও ডায়রিয়াসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

এ কারণে জেলার হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বিভিন্ন ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এর মধ্যে কিছুদিন যাবৎ ‘চোখ ওঠা রোগী প্রায় ঘরে ঘরে। ছোঁয়াচে হওয়ার কারণে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও দ্রুত বেড়ে চলেছে। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি চোখ পরিষ্কার রাখা এবং সূর্যালোকে কালো রঙের চশমা ব্যবহারের পরামর্শসহ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হচ্ছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION