1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
ফরিদপুরে বিষপানে তরুণীর মৃত্যু ফরিদপুরে ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী বাসন্তী পূজা ফরিদপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি মানুষের মুক্তির প্রতিক ধানের শীষ – চৌধূরী নায়াব ইউসুফ মানুষের ভালোর জন্যে রাজনীতি করি -চৌধূরী নায়াব ইউসুফ এমপি সরকারী ও বিরোধী দলের অংশগ্রহনে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে চান জামায়াত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম মিয়ার ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত সুস্থ জীবন গড়ার আহ্বানে বি-৭১ এর পরিচ্ছন্ন পোষাক বিতরণ ও  বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশে নিয়োগ হবে – ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল 

চরভদ্রাসনে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টা

  • Update Time : শনিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২২
  • ৬৭৪ জন পঠিত
চরভদ্রাসনে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টা
চরভদ্রাসনে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের চেষ্টা

মো. মনির হোসেন পিন্টু, চরভদ্রাসন : ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সরকারি জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার(১৮নভেম্বর) সকালে এক পক্ষ উপজেলা পরিষদ চত্তরের সামনে এ দোকানঘর নির্মাণের জন্য চেষ্টা চালালে এসময় উক্ত জমির আরেক পক্ষ দোকানঘর নির্মাণে বাধাঁ দেয়। জমির মালিকানা দাবিদার ও দোকানঘর উত্তোলনকারী মো. শহিদুল ইসলাম জানান, আমার বাবা ১৯৬৯ সনে উক্ত জমি ক্রয় করে। আমরা আমাদের সেই জমিতে দোকানঘর উত্তোলন করতেছি। আমাদের জমির পূর্বের মালিকের নামে মিউটিশন ও রেকর্ড সবই আছে।

এদিকে জমির আরেক মালিকাকানা দাবিদার মো. বাবুল মোল্যা(৪৮) জানান, ২০১৭ সনে ওই জমির মালিকের কাছ থেকে আমরা তিন ভাই ৪ শতক জমি ক্রয় করি। আমাদের নামে মিউটিউশন ও জমির হাল খাজনা সম্পূর্ন পরিশোধ করা আছে। তারপরও আমাদের ক্রয়কৃত জমিতে তারা প্রভাব দেখিয়ে দোকানঘর উত্তোলন করার চেষ্টা করছে।
উপজেলা সহকারি ভূমি কর্মকর্তা মো. বক্কার হোসেন বলেন, আমাদের জানামতে ওই জমি নদী সিকস্তি জমির মধ্যেই পরে। তারপরও উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখে ও মেপে সঠিক ভাবে জমির পরিচয় নির্ধারণ করা যাবে।

এব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. খাইরুল ইসলাম জানান, নদীপাড়ে অবৈধভাবে কেউ কোন দোকানঘর উত্তোলন করতে পারবেনা। এছারা ইতিপূর্বে নদীর পাড়ে কিভাবে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে সে বিষয়েও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা কবির ত্রপা বলেন, এক পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই জায়গায় দোকানঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এব্যাপারে সকল কাগজপত্র দেখে পরবর্তি সিন্ধান্ত নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION