বিশেষ প্রতিনিধি : গত ১৬ই মার্চ ২০২৩ ফরিদপুর সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে সদর উপজেলার কৈজুরী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কৈজুরী গ্রাম থেকে ইউপি সদস্য পদে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিয়েছিলেন এবং বিজয় অর্জন করেছে। সে কৈজুরী গ্রামের মরহুম নাসিরউদ্দিন মাতুব্বরের কনিষ্ঠ পুত্র মো: রাহাতুল হাসান (মিঠুন)। একাডেমিক শিক্ষাক্ষেত্রে সে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে সমাজকর্ম বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেছে। অত্র ভোটার এলাকার উভয় শ্রেণীর সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ ভোটারবৃন্দরা প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনে উৎসাহিত করেছিল এবং ইউপি সদস্য হিসেবে নির্বাচনের জন্য ভোটার এলাকায় সকলের দুয়ারে ভোট প্রার্থনা করে বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে মোঃ রাহাতুল হোসেন মিঠুনের পক্ষে ফুটবল প্রতীকে।
নির্বাচনে বিজয় হওয়ায় এ প্রসঙ্গে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমাকে ১নং ওয়ার্ডে এলাকার সম্মানিত ভোটাররা ও আমার মুরব্বিরা আশ্বস্ত করেছিলেন তা বাস্তবে পালন করেছে। তারা আমাকে ভোট দিয়েছেন। অনেকেই আমার জন্য বাড়ি বাড়ি ভোট চাইতে নেমেছিলেন প্রতিনিয়ত। ভোটাররা অনেকে আমাকে নির্বাচনের জন্য বিভিন্নভাবে সহযোগিতাও করেছে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ বাস্তবায়ন করেছে এজন্য তাদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমার নির্বাচনী ওয়ার্ড কৈজুরী আংশিক, পিয়ারপুর, তুলাগ্রাম আংশিক এবং আলালপুর আংশিক নিয়ে এ ১নং ওয়ার্ড। এখানে সদস্য হিসেবে মোট ৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিলেন।
কৈজুরীতে আমি একক প্রার্থী ছিলাম। পিয়ারপুরে ২ জন ও তুলাগ্রামে ২ জন প্রার্থী ছিল। এলাকার জনগণদের উদ্দেশ্য করে বলেন, একজন ইউপি সদস্য হিসেবে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি এ জন্য সকলেই আমার জন্য দোয়া করবেন। ১নং ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্র পিয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দ্বায়িত্বে ছিলেন সদর উপজেলার দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা সুপ্রভাত গাইন। ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন বাস্তবায়ন করেছে কর্তৃপক্ষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পেরে খুশি হয়েছে সেইসাথে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে।