1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Ajker Faridpur : Ajker Faridpur
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. info.jmitsolution@gmail.com : Support Team : Support Team
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।
শিরোনাম :
সরকারী ও বিরোধী দলের অংশগ্রহনে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে চান জামায়াত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম মিয়ার ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত সুস্থ জীবন গড়ার আহ্বানে বি-৭১ এর পরিচ্ছন্ন পোষাক বিতরণ ও  বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা যোগ্যতার ভিত্তিতে পুলিশে নিয়োগ হবে – ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিল  ফরিদপুরে সরকারী রাস্তার ইট লুট, দুই দিনেও মামলা হয়নি সরকারি লিজ নেয়া জায়গার দোকান ভেঙে দখলে নেয়ার অভিযোগ প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে মধুখালীর প্রয়াত যুবদল নেতার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান চরের সরকারী রাস্তার ইট লুট রুখে দিলো এলাকাবাসী মানববন্ধন করতে পারেনি ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা 

পাটের ন্যায্যমূল্য না থাকায় হতাশ চাষিরা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৪৭ জন পঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক :
সোনালী আঁশ খ্যাত পাটের ন্যায্যমূল্য না থাকায় হতাশ পুলিদপুরের পাট চাষীরা। তাদের দাবী, বৈরি আবহাওয়া ও পানি না থাকায় দুরবর্তী স্থানে নিয়ে পাট পঁচানোয় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে, কিন্তু বাজারে নতুন পাটের আশানুরূপ দাম পাচ্ছে না তারা। পাটের মূল্য কম থাকায় তাদের উৎপাদন খরচই উঠছে না বলেও দাবী তাদের। ।
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, পাট আবাদের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা ফরিদপুরে চলতি মৌসুমে জেলায় ৮৮ হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে।
কৃষকদের অভিযোগ, গতবছর পাটের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা সোনালি আঁশে সুদিনে ফেরার স্বপ্নে এবছর আশা নিয়ে পাটের আবাদ করেছিলেন তারা। কিন্তু চলতি বছরে পাটের দাম বিগত সময়ের চেয়ে মণপ্রতি ৬০০-৭০০ টাকা কমে যাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।
কৃষকরা বলছেন, চলতি মৌসুমে পাটের যে দাম তাতে পাট বিক্রি করে লাভ তো দূরে থাক, খরচই উঠছে না। বিশেষ করে বর্গাচাষিদের বিঘাপ্রতি ৫-৭ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।
সালথা উপজেলার পাটচাষি আকাশ মণ্ডল বলেন, ‘এলাকাভেদে একবিঘা জমিতে পাটচাষের জন্য জমি উপযোগী করাসহ খরচ হয়েছে ২৩-২৪ হাজার টাকা। সেখানে বিঘাপ্রতি তুষা জাতের পাটের উৎপাদন ১০ মণ, আর দেশি পাট উৎপাদন হয় ৯ মণ। সেই হিসেবে ১০ মণ পাট বিক্রি হচ্ছে ১৮-২০ হাজার টাকায়। পাটকাঠি বিক্রি করা যাচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায়। সবমিলিয়ে পাটচাষে লাভ থাকছে না।’
আরেক পাটচাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি গতবছর চার বিঘা জমিতে পাটচাষ করেছিলেন। খরচ বাদ দিয়ে যে পাট হয়েছিল, তাতে তার বিঘাপ্রতি ৪-৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল। গতবছর প্রতিমণ পাট বিক্রি করেছিলেন ২৬৫০-২৭০০ টাকায়। এবার বিক্রি হচ্ছে ১৭০০-১৮০০ টাকায়। খরচ বাদে তার প্রতি বিঘায় লোকসান হচ্ছে কমপক্ষে সাত হাজার টাকা।
মধুখালী উপজেলার পাটচাষি মনিতোষ রায় বলেন, পাট নিয়ে এবার খুব সমস্যায় আছি। শুরুতে বৃষ্টি না হলেও সেচ দিয়ে পাটচাষ করেছি। আবার পাট কাটার সময়ে পানির অভাবে দূরবর্তী খালে নিয়ে পাট জাগ দেয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। শ্রমিক পাওয়া যায় না। শ্রমিকের মূল্য চড়া। সবমিলিয়ে যা খরচ হয়েছে পাট বিক্রি করে উঠছে না। আগামীতে আবার পাটচাষ করবো কি না ভাবছি।
বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ইউনিয়নের বড়গাঁ এলাকার কৃষক আমির আলী ও চর শেখর গ্রামের কৃষক দাউদ মোল্লা বলেন, ‘এবার প্রখর খরা গেছে। সার-কীটনাশকের দামও বেশি। শ্রমিকের মূল্য চড়া। পানির অভাবে ভালোভাবে কৃষক পাট জাগ দিতে পারেনি। এ কারণে পাটের রং ভালো হয়নি। হাট-বাজারে পাটের দাম নেই। লাভ দূরে থাক, খরচই ঠিকমতো উঠছে না। এবার পাটচাষ করে লোকসান হয়েছে।’
পাট ব্যবসায়ী কাজী আরিফ বলেন, বর্তমানে জুটমিলগুলোতে পাটের চাহিদা কম, তাই দামও কম; ১৮০০-২০০০ টাকা মণ। খুব ভালো মানের পাট হলে প্রতিমণ ২৩০০ টাকা দরে আমরা কিনছি।
সালথা উপজেলা সদর বাজারের পাট ব্যবসায়ী আবু তালেব বলেন, এখন পর্যন্ত ভালো মানের পাট ২৬০০-২৭০০ টাকা, মাঝারি মানেরটা ২২০০-২৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বোয়ালমারীর সাতৈর বাজারের বড় পাট ব্যবসায়ী আতিয়ার রহমান। তিনি বলেন, এবার পাটের মান খুব বেশি ভালো হয়নি। পাটকলগুলো এখন পর্যন্ত পাট কেনা শুরু করেনি। এ কারণে বিভিন্ন হাট থেকে অল্প অল্প করে কিনছি।
এ বিষয়ে ফরিদপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম বলেন, এবার জেলায় ৮৮ হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা থেকেও বেশি উৎপাদন হয়েছে।
তিনি বলেন, পাট উৎপাদনের পরপরই সব কৃষক একসঙ্গে পাট বাজারে নিয়ে গেলে দাম একটু কম পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে যদি কিছুদিন রেখে কৃষক বিক্রি করেন, তাহলে দাম ভালো পাওয়া যায়। #

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION