স্টাফ রিপোর্টার :
ফরিদপুরের ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসতেই বাড়ছে উত্তেজনা। অধিকাংশ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নানা অভিযোগ তুলছেন সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বিকার করে উল্টো তারাই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কমীঅদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলছেন। আর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবী সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে তৎপর রয়েছেন তারা।
আগামী ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফরিদপুরের ১১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। নির্বাচনে ৬৯জন চেয়ারম্যান পদে, সদস্য পদে ১১৩জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৩৫৮জন প্রার্থী প্রতিদন্দিতা করছেন। এদিকে নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসতেই বাড়ছে নানা অভিযোগের সংখ্যাও।
ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী উজ্জ্বল সরকার লোটন, অম্বিকাপুর ইউনিয়নের নুরুল আলম ও কৈজুরী ইউনিয়নের মুহা. মামুন আর রশীদসহ কয়েকটি ইউনিয়নের অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নৌকা প্রতিকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট চাওয়ার বাঁধা প্রদানের অভিযোগ তুলছেন। তাদের দাবী, নৌকার প্রার্থীরা তাদের কর্মীদের মাঠে নামতে দিচ্ছেন না।
এদিকে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা এসব অভিযোগ অস্বিকার করেছেন। অম্বিকাপুর ইউনিয়নের নেকার প্রার্থী আবু সাঈদ চৌধুরী বারীসহ কয়েকটি নৌকার প্রার্থীদের দাবী জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই তারা এমন অপপ্রচার চালাচ্ছেন। ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী শহিদুল ইসলাম মজনু উল্টো তার কর্মীরাই বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং পোস্টা ছেড়ার অবিযোগ তুলছেন।
যদিও সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন যারা গণমানুষের সেবা করতে পারবেন এমন প্রার্থীদেরই জয়ী করবেন তারা।
আর নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবী, সুষ্ট ও শান্তিপুর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তৎপর রয়েছেন তারা। ফরিদপুর সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, কোনো প্রার্থী অভিযোগ দিলে তা গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ইভিএম ব্যবহারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ১০৩টি ভোটকেন্দ্রে দুই লাখ ৩৩ হাজার ২৯জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। #