1. ajkerfaridpur2020@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
  3. titunews@gmail.com : Monirul Islam Titu : Monirul Islam Titu
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ বোর্ড :
আজকের ফরিদপুর নিউজ পোর্টালে আপনাদের স্বাগতম । করোনার এই মহামারীকালে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। সচেতনে সুস্থ থাকুন।

এটিএম কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী আটক

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২
  • ৫৭৩ জন পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার রঞ্জন মোল্লার ডাঙ্গী এলাকার কৃষক কালাম ব্যাপারীর (৫৬) ইসলামী ব্যাংকে জমা টাকা এটিএম কার্ড জালিয়াতির মাধ্যমে তুলে নিয়েছেন ওই ব্যাংকের সাবেক কর্মচারী বদরুল ইসলাম তাসিন (৩৫)। ফরিদপুরের ডিবি পুলিশ এ ঘটনার সাথে জড়িত বদরুল ইসলাম তাসিন ও তার স্ত্রী মাহি আক্তার উর্মিকে (২৪) কে সকালে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২২ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ (অপরাধ ও তদন্ত) সুপার জামাল পাশা।
তিনি জানান, টাকার লোভে কালাম ব্যাপারীর এটিএম কার্ড ডেলিভারী দেবার নাম করে নিজের কাছে রেখে দেন। সুযোগ বুঝে ফরিদপুর ট্রমা সেন্টারের ডিসকাউন্ট কার্ড রেজিষ্ট্রেশনের নাম করে কালাম ব্যাপারীর মোবাইল ডিজিটালি নিজের মোবাইলের সাথে সংযুক্ত করে ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) নিয়ে কালাম ব্যাপারীর এটিএম কার্ড এ্যাকটিভ করেন।
উক্ত কার্ড এ্যাকটিভ (চালু) করার পর লোভী অসাধু বদরুল ইসলাম তাসিন (৩৫) এবং তার স্ত্রী নাহি আক্তার উর্মি (২৪) ফরিদপুর শহরে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের দুটি বুথ থেকে ১ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। পরে কৃষক কালাম ব্যাপারী ফরিদপুরের পুলিশ সাইবার সাপোর্টে অভিযোগ করলে সাইবার টিম বদরুল ইসলাম তাসিন (৩৫) ও তার স্ত্রী মাহি আক্তার উর্মিকে (২৪) মঙ্গলবার (২২ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তার করে। এসময় অপরাধের সকল আলামতসহ নগদ ১ লক্ষ ৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ওই দম্পতির বিরুদ্ধে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© পদ্মা বাংলা মিডিয়া হাউজের একটি প্রতিষ্ঠান
Design & Developed By JM IT SOLUTION